জোড়া লাইন
জোড়া দিয়ে আঁকার আইডিয়া
৫,৬১৬টি লাইন, টুকরো টুকরো করে গাঁথা। যেটা পছন্দ সেটায় তালা দিন, বাকিটা তুলতে থাকুন যতক্ষণ না গোটা লাইনটা জমে।
কুয়াশা মোড়া শীতের সকালে কাগজের এক ময়ূর, কাঁথার সেলাইয়ের নকশা দিয়ে
- বিষয় কাগজের এক ময়ূর
- জায়গা কুয়াশা মোড়া শীতের সকালে
- ঢং কাঁথার সেলাইয়ের নকশা দিয়ে
বাংলায় এই লাইনটা তিন টুকরোয় তৈরি — জায়গা, বিষয় আর ঢং। আবহ আলাদা টুকরো নয়, সেটা জায়গার ভিতরেই লেখা আছে।
তালা দেওয়া টুকরো প্রতিবার টিকে যায়। এভাবেই পছন্দের ঢঙে তালা দিয়ে তার উপর কুড়িটা বিষয় ছুড়ে দেখা যায়।
দশ দিনের খাতা-চ্যালেঞ্জ
জোড়ার যন্ত্রটা বৈচিত্র্যের জন্য। এটা এগোনোর জন্য। দশ দিন, দিনে এক পাতা, আধ ঘণ্টা, সামনের দিনগুলো আগে দেখবেন না।
- আজ শেষ যা খেয়েছেন — থালার চেহারা ভুলে যাওয়ার আগে।
- নিজের হাত, এমন কোণ থেকে যেভাবে কখনো আঁকেননি।
- সবচেয়ে কাছের জানলার বাইরের দৃশ্য। পাঁচ মিনিট, মোছা চলবে না।
- বাড়ির সবচেয়ে পুরনো জিনিসটা।
- আজ সকালে পথে যাকে দেখেছিলেন — শুধু মনে করে।
- বৃষ্টি, একটাও ফোঁটা না এঁকে।
- আজকের সকালটা চারটে খোপে।
- যা সাধারণত বন্ধ থাকে, তার ভিতরটা।
- গোটা এক পাতা অন্য হাতে।
- আবার প্রথম দিনেরটা — এঁকে দুটো পাতা পাশাপাশি রেখে দিন।
দশম দিনটা প্রথম দিনের পুনরাবৃত্তি ইচ্ছে করেই। দুটো পাতা পাশাপাশি রাখাই একমাত্র সৎ রিপোর্ট, যেটা একটা খাতা দিতে পারে।
গাদায় কী কী আছে
বোতাম যা যা তুলতে পারে, সবটুকু। বাংলায় একটা একটা করে লেখা — জায়গা, মানুষ আর ঢং সেগুলোই, যেগুলোকে এখানে সত্যিই এই নামে ডাকা হয়।
বিষয় 26
- একজন বাতিঘরের রক্ষী
- ফুচকা বিক্রি করা এক মহিলা
- ঘর পাহারা দেওয়া একটি রোবট
জায়গা 18
- ভোরবেলা গলির মোড়ে
- বৃষ্টিতে ভেজা চায়ের দোকানে
- পুজোর ভিড়ে ভরা রাতে
ঢং 12
- কালি ও হালকা রঙ দিয়ে
- পটচিত্রের রেখা দিয়ে
- আলপনার নকশা দিয়ে
সাধারণ প্রশ্ন
- এই যন্ত্রটা কী করে?
- যে সিদ্ধান্তগুলো নিতে ইচ্ছে করে না, সেগুলো নিয়ে নেয়। প্রতিটা টুকরোর নিজের গাদা আছে, প্রতিটা থেকে একটা করে তুলে একটা লাইন তৈরি হয়, যেটা সোজা খাতায় নিয়ে যাওয়া যায়। টুকরোগুলো তৈরি তালিকা থেকে বাছা হয় না, গুণ হয় — তাই ৫,৬১৬টি লাইন হয়।
- তালা কীভাবে কাজ করে?
- প্রতিটা টুকরোর একটা করে তালা আছে। যেটা রাখতে চান সেটায় তালা দিয়ে বোতাম চাপুন: তালা দেওয়াটা যেমন ছিল তেমনই থাকে, বাকিটা আবার ওঠে। বিষয়ে তালা দিয়ে কুড়িটা ঢং দেখুন, বা ঢঙে তালা দিয়ে কুড়িটা বিষয়।
- অদ্ভুত জোড় উঠলে কী করব?
- এঁকে ফেলুন। বেমানান জোড় ভুল নয় — ওটাই সেই টুকরো যেটা আপনাকে গত সপ্তাহের ছবিটা আবার আঁকতে দেয় না। সত্যিই কাজে না লাগলে যেগুলো জমছে সেগুলোয় তালা দিয়ে বাকিটা আবার তুলুন।
- এগুলো কি মানুষের লেখা?
- এই পাতার প্রতিটা টুকরো বাংলায় হাতে লেখা। কিছুই তখনই তৈরি হয় না, কোথাও পাঠানোও হয় না — সবটাই আপনার ব্রাউজারে চলে, বিনামূল্যে আর অ্যাকাউন্ট ছাড়াই।
- বাংলায় লাইনটা তিন টুকরোর কেন?
- বাংলায় লিঙ্গভেদ নেই, তাই শব্দের চেহারা ভাঙে না — ভাঙে ধ্বনিটা। অপরিবর্তনীয় আবহ বাংলায় শুধু অধিকরণ বা করণেই লেখা যায় (…য় / …তে), আর জায়গাও সব সময় অধিকরণেই শেষ হয়। দুটো পাশাপাশি বসালে বেশির ভাগ জোড় একই অন্ত্যমিলে শেষ হয়, পড়তে খারাপ লাগে। তাই আবহটাকে আলাদা টুকরো না করে জায়গার ভিতরেই লিখে দেওয়া হয়েছে — প্রতিটা জায়গা নিজের সঙ্গে সময়, আবহাওয়া আর মেজাজ নিয়ে আসে।
এরপর
drawmates-এর আরও বিনামূল্যের সরঞ্জাম আর আঁকার খেলা।